তৃণমূলকে সাফল্য পাইয়ে এবার পিকে কি কংগ্রেসে ঢুকতে পারবেন? চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সনিয়ার হাতেই

0
107
Sonia will take final decision of Prashant Kishor join Congress

তৃণমূলকে সাফল্য পাইয়ে এবার পিকে কি কংগ্রেসে ঢুকতে পারবেন? চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সনিয়ার হাতেই

সংবাদ সংস্থা, নয়াদিল্লি: ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসে যোগদান করতে পারবেন কিনা এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হয়েছে কংগ্রেসের কাছে। আর সেই সিদ্ধান্ত এখন কার্যত সনিয়া গান্ধীর হাতে ছাড়া আছে। শীঘ্রই হয়তো সেই সিদ্ধন্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

প্রশান্ত কিশোরের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে ৩ গান্ধীর সঙ্গে। এর আগে ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশ ভোটে কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করেছিলেন পিকে। তবে সেখানে কংগ্রেসের কার্যত ভরাডুবি হয়। কিন্তু সেই পরিচয়ের সূত্রে রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বডরার পিকেকে নিয়ে কোনও আপত্তি নেই বলে জানা গিয়েছে। ভাই বোনের সঙ্গে বৈঠকে পিকে তাঁর একাধিক পরিকল্পনা তুলে ধরেছে। কী ভাবে কংগ্রেসকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়েই আলোচনা হয়।

তবে গত মে মাস থেকে এই আলোচনা চলছে। কংগ্রেসের একটা বড় অংশ যেমন পিকেকে নিয়ে বেশ আশাবাদী। তেমন অনেক কংগ্রেস নেতার মতে পিকে কংগ্রেসের এলে দলের বিশেষ কোনও লাভ হবে না। কারণ সব ক্ষেত্রে তিনি সফল নন। কংগ্রেসের সঙ্গে এর আগে কেবল পাঞ্জাবেই বিজেপি-আকালি দলকে ঠেকাতে সফল হয়েছে ‘কংগ্রেস-পিকে জোট’। তাই পিকে কংগ্রেসে এলেই দল আমূল বদলে যাবে এমন ভাবার কোনও কারণ নেই।

যদিও সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের পিছনে প্রশান্ত কিশোরের ভূমিকা তৃণমূলের অনেকে প্রকাশ্যেই স্বীকার করেন। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পরই ভোট কৌশলী ভূমিকা থেকে অবসর নিতে চান বলে জানিয়েছিলেন। তবে তখনও ঠিক বোঝা যায়নি তিনি কী করতে চাইছেন।

এরপর গত জুলাই মাসে সোনিয়া-রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন প্রশান্ত কিশোর। তারপর থেকেই একটা তাঁর কংগ্রেসে যোগ দেওয়া নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সনিয়া গান্ধীর হাতেই। রাহুল প্রিয়াঙ্কার পিকেকে নিয়ে সমস্যা না থাকলেও কংগ্রেসে বেশ কয়েকজন তাবড় নেতা, প্রশান্তের দলে অন্তর্ভুক্ত বিষয় আপত্তি জানিয়েই চলেছেন।

এমনও শোনা যাচ্ছে, কংগ্রেসে ঢুকলেও তিনি যে ভাবে কাজ করেন সে ভাবে কাজের স্বাধীনতা পাবেন না। সে ক্ষেত্রে তাঁর গণ্ডি বেঁধে দেওয়া হতে পারে। তবে সব কিছুই এখন কার্যত সনিয়া গান্ধীর উপরই নির্ভর করছে।